ভিপি নুরকে পিটিয়ে হাসিনার আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টায় রাব্বানী

272

স্টাফ রিপোর্টার:দেশীয় অস্ত্র ও বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসু ভিপি নুরুল হক মারামারিতে জড়িয়েছেন বলে দাবি করেছেন জিএস গোলাম রাব্বানী। একইসঙ্গে ভিপি নুরকে আর ডাকসুতে ঢুকতে দেবে না বলেও জানান তিনি। রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু চত্বরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ভিপি নুর নিজের দুর্নীতি ঢাকতে বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসুকে ব্যবহার করে অরাজকতা করছেন বলেও অভিযোগ তুলছেন রাব্বানী। এছাড়া ভিপি নুর পদত্যাগের মাধ্যমে ডাকসু শান্ত হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ও তার অনুসারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের নেতাকর্মীরা। এতে নুরসহ কোটা সংস্কার আন্দোলনের অনেক নেতাকর্মী আ’হত হয়েছেন।

নুরদের উপর হামলার বিষয়ে রাব্বানী বলেন, সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসুতে জড়ো হন নুর। এসময় তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র, রড় ও লাঠি ছিল। পরে ডাকসু ভবনের উপর থেকে নুরের নেতৃত্বে ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে।
হামলার পর আ’হত ডাকসু ভিপি নুরুল হক অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক রাঁশেদ খান, ফারুক হোসেনসহ অন্যদের পানি পানি, আল্লাহ আল্লাহ এবং মাগো মাগো বলে চিৎকার করতে শোনা গেছে।

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ডাকসু ভবনের মূল ফটক বন্ধ করে নুরের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করা হয়। এছাড়া বাইরে থেকেও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল ছুঁড়েন। এতে ডাকসু ভবনের জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র তছনছ হয়ে গেছে
মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী এ হামলায় অংশ নেন বলে জানা গেছে। এসময় ডাকসুর সদস্য ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য তাদেরকে বাঁধা দিতে গেলে তাকেও শিবির আখ্যা দিয়ে লাঞ্ছিত করেন মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, ঘটনার সময় ভিপি নুরের কক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস এবং সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন। সবাই মিলে মারধর করে নুরুর কক্ষ থেকে পাঁচ জনকে বের করে দেন।
একপর্যায়ে সনজিত ও সাদ্দাম সেখান থেকে বেরিয়ে আসলে অন্য একটি গ্রুপ ডাকসু ভবনে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে তারাও নুরসহ অন্যদেরকে মারধর শুরু করেন।