৩ শ্রেণির মানুষের হাতে রাজনীতি চলে গেছে: শফিকুল ইসলাম | সংবাদ

111

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মানুষ বিশ্বাস করে, ডাকসু মিনি পার্লামেন্ট। এই নেতা তৈরির কারখানা এতোদিন অচল ছিলো। ইতোপূর্বে ডাকসু নির্বাচন হয়েছে বলে বাংলাদেশ পেয়েছে তোফায়েল আহমেদ, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ নেতাদের। এটা ঠিক, গত ২৮ বছর যাবৎ নেতা তৈরি হয়নি বলে ব্যবসায়ী, আমলা ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা এই  তিন শ্রেণির মানুষের হাতে রাজনীতি চলে গেছে।’

বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে ‘ডাকসু নির্বাচন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি এসব কথা বলেন।  মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলা ট্রিবিউন কার্যালয়ে এ বৈঠকির সঞ্চালনা করেন মুন্নী সাহা। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে এটিএন নিউজ।
বৈঠকিতে শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘১১ মার্চের আগে হল ও সংসদ নির্বাচনের সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করে ক্ষমতাসীন দলের সংগঠন ছাত্রলীগ প্রমাণ করুক, ক্যাম্পাসে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। ছাত্রলীগে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন প্রকট। এই দ্বন্দ্ব কখনও নেতায় নেতায়, কখনও আঞ্চলিকতায়। দ্বন্দ্বে ভালো পরিবেশ তৈরি হয় না। ফলে এখনও অনেকে সন্দিহান, নির্বাচন আসলে হবে কিনা। ২৮ বছর পর যে সন্তান জন্ম নিতে যাচ্ছে, তাকে যেকোনও কিছুর বিনিময়ে সুন্দর পরিবেশে জন্ম নিতে দেওয়া হোক। ডাকসু পাক ভিপি, জিএস। দেশবাসী পাক নতুন নেতৃত্ব।’

তিনি বলেন, ‘অতীতের সব ডাকসু নির্বাচন হলকেন্দ্রিক হয়েছে। হলভিত্তিক নির্বাচনে ভোট দিতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিলাম। আজকে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য সংগঠনগুলো সেই রেওয়াজ ভাঙার কথা বলছে, তখন বুঝতে হবে কোনও না কোনও কারণ তৈরি হয়েছে। আস্থার জায়গায় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বিশ্বাসের জায়গা নষ্ট হয়েছে, সাহসের জায়গা ভূলুণ্ঠিত হয়েছে বলেই আজকে এ দাবি তোলা হচ্ছে। আমি জহিরুল হক হলের ছাত্র। হলে যদি ভোট দিতে পারি তবে আমার চেয়ে বেশি খুশি কেউ হবেন না।’
বৈঠকিতে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কাবেরী গায়েন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। সূত্র বাংলা ট্রিবিউন

Loading...