খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই বিএনপির অঙ্গীকার বললেন ফখরুল

24

স্টাফ রিপোর্টার:খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই এবারের স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গতকাল স্বাধীনতা দিবসে বিএনপির পক্ষ থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই স্বাধীনতা দিবসে আমাদের অঙ্গীকার। দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে দেশনেত্রীকে আমরা মুক্ত করবো।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, স্বাধীনতার চেতনা ও আদর্শ নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম, তা লুণ্ঠিত হয়েছে। বাকশালের আদলে একদলীয় শাসন কায়েম করা হয়েছে। আজ দেশের মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। কোনো অধিকার নেই, গণতন্ত্র নেই।

তিনি বলেন, জনগণের অধিকার হরণ করা হয়েছে, ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। এখন দেশের মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। আজকে সাধারণ মানুষের স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার নিরাপত্তা পর্যন্ত নেই।

স্বাধীনতার আদর্শকে পুনরুদ্ধার করার জন্য দেশবাসীকে শপথ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের চরম দুর্ভাগ্য- যে চেতনা ও আদর্শকে সামনে নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম, আজকে সেই চেতনা ও আদর্শ সম্পূর্ণভাবে ভুলুণ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার একটা চক্রান্ত প্রায় প্রতিষ্ঠা লাভ করতে চলেছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন- দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ প্রমুখ।

অন্যদিকে স্মৃতিসৌধ থেকে ফিরে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সরকার গণতন্ত্রকে হরণ করে দেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার এত বছর পরেও আজ স্বাধীনতার মূল চেতনা গণতন্ত্রকে হরণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে। দেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে।

এখন দেশে মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। জনগণের সব অধিকার, ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। আজকে সাধারণ মানুষের স্বাধীনভাবে চলাফেরার কোনো নিরাপত্তা নেই। এ সময় তিনি স্বাধীনতার আদর্শকে পুনরুদ্ধার করার জন্য দেশবাসীকে শপথ নেয়ারও আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ।

Loading...