লিবিয়ায় যুদ্ধবিরতিতে একমত পুতিন-এরদোয়ান

72

স্টাফ রিপোর্টার: লিবিয়ায় যুদ্ধবিরতিতে একমত পুতিন-এরদোয়ান
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ লিবিয়ায় যুদ্ধবিরতিতে একমত হয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বুধবার ইস্তাম্বুলে বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এদিকে, ত্রিপোলিতে তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতির তীব্র বিরোধিতা করেছে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলো।

এরমধ্যেই, ছায়াযুদ্ধের মাধ্যমে লিবিয়াকে দ্বিতীয় সিরিয়া বানানো থেকে বিরত থাকার জন্য জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকারকে সতর্ক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
লিবিয়ায় তুর্কি বাহিনী মোতায়েনে আঙ্কারা-ত্রিপোলির সিদ্ধান্তকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না স্থানীয়রা। দাবি, অভ্যন্তরীণ সংকট নিজেরাই সমাধান করবেন তারা। বুধবার ইস্তাম্বুলে লিবিয়া সংকট নিয়ে আলোচনা করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পরে দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরেন।

ব্রাসেলসে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ সিরাজী। ত্রিপোলিতে তুর্কি বাহিনী এবং আঙ্কারার সঙ্গে লিবিয়ার গ্যাস সরবরাহ চুক্তির বিষয়ে সিরাজীকে সতর্ক করেন তারা। মিশরের কায়রোতে লিবিয়া ইস্যুতে ভূমধ্যসাগারীয় রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও বৈঠক করেন। সংকট সমাধানে বিবদমান পক্ষগুলোকে নিয়ে চলতি বছর বার্লিনে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন বিষয়ে এদিন ইতালির প্রধানমন্ত্রী গুসেপ্পু কোন্তের সঙ্গে বৈঠক করেন লিবিয়ার বিদ্রোহীনেতা জেনারেল খালিফা হাফতার। কিছুক্ষণ পরেই সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে রোমের পরামর্শ অনুযায়ী নো ফ্লাই জোন এরিয়া বাড়ানোর ঘোষণা দেয় হাফতারের পূর্বাঞ্চলীয় সরকার। এদিন, ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লুইগি ডি মাইরোর সঙ্গে ইস্তাম্বুলে বৈঠক করেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু।

আফগানিস্তান, ইরাকে তাণ্ডব চালিয়ে ২০১১ সালে লিবিয়ায় হা’মলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। তছনছ হয়ে যায় লিবীয়দের জন্য মুয়াম্মার গাদ্দাফির সাজানো সংসার। ২০১৪ সালে নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে শুরু হয় গৃহযুদ্ধ। সংকট সমাধানের নামে তাতে জড়িয়ে পড়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। গেলো ৬ বছর ধর সেই আগুনেই পুড়ছে লিবীয়রা।

Loading...