কত দিন আমাকে আটকে রাখবেন? যখন বের হব তখন আপনাদের দেখে নেব : সাহেদ

146

সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তারের পর এসব বেলেছিলেন করোনা পরীক্ষার ভুয়া সনদসহ বহুমাত্রিক জালিয়াতিতে গ্রেপ্তার রিজেন্ট হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম।

বুধবার সাদেহকে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর হেলিকপ্টারে ঢাকা নিয়ে আসার সময় সাহেদ বের হলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে র‌্যাব কর্মকর্তা জানান।

বৃহস্পতিবার সাহেদকে আদালতে তোলা হয়। সেখানে তিনি নিজেকে করোনা রোগী বলে দাবি করেন।

আদালতে আনার পর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কান্না জুড়ে দেন সাহেদ। সাহেদকে কোমরে মোটা দড়ি বেঁধে আদালতে হাজির করা হয়। তার গায়ে ছিল নীল রঙের শার্ট। শরীরে ছিল বুলেট প্রুফ জ্যাকেট। মাথায় হেলমেট। চোখে কালো চশমা। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে সাহেদ বলেন, ‘স্যার, আমি একটু কথা বলতে চাই।’ বিচারক তখন অনুমতি দেন। এ সময় সাহেদ বলতে থাকেন, ‘আমার দুটি হাসপাতালসহ একটি হোস্টেল গভারমেন্টকে দিই। এরই মধ্যে যে জিনিসটা হয় স্যার, সেটি হলো আমাদের লাইসেন্স এক বছরের জন্য নবায়ন করা হয়নি। ওনারা লাইসেন্স নবায়নের জন্য আমাদের কাছ থেকে সোনালী ব্যাংকের ট্রেজারিতে টাকা জমা নেয়। টাকা জমা নিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে স্যার। আমি দেড় মাস ধরে নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলাম।

আমার বাবা করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। যখন কেউ করোনার চিকিৎসা দিতে এগিয়ে আসেনি, তখন বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে আমরাই প্রথম এগিয়ে এসেছিলাম। বাংলাদেশে যখন কোনো হাসপাতাল করোনা চিকিৎসা দিচ্ছিল না, তখন রিজেন্ট হাসপাতাল চিকিৎসা দিয়েছে। কিন্তু আকস্মিকভাবে এই রিপোর্টগুলো সামনে আসে। শুধু তা-ই নয়, আমাদের হেড অফিসকে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। হেড অফিসের তো কোনো অন্যায় নেই। আমাদের একটি ল ফার্ম ছিল, সেটিও সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের সব প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।’