ত্রাণ না পাওয়ার প্রতিবাদ করায় হা’মলা

114

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকিতে অবরুদ্ধ অবস্থায় বাগেরহাটে ‘ত্রাণ না পাওয়ার প্রতিবাদ’ করায় হামলায় নারীসহ দুইজন আহত হয়েছেন।

শনিবার সদর উপজেলার গোটাপাড়া ইউনিয়নের গোপালকাঠি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীরা কয়েকটি বসতবাড়ি ভাংচুরও করেছে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে পুলিশ মোকাদ্দেস হোসেন ওরফে রানা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আহতরা হলেন উপজেলার গোটাপাড়া ইউনিয়নের গোপালকাঠি গ্রামের শাহ আলম বিপ্লব (৪৮) ও জামিলা বেগম (৬৫)। তাদের মধ্যে শাহ আলম বিপ্লবকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জামিলাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত জামিলা বেগমসহ কয়েকজন অভিযোগ করেন, শুক্রবার গোটাপাড়া ইউনিয়নের গোপালকাঠি গ্রামের দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা স্থানীয় যে দরিদ্ররা আগে ত্রাণ পায়নি তাদের না দিয়ে যারা পেয়েছে তাদেরই আবার ত্রাণ বিতরণ করে।

জামিলা বলেন, “এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ত্রাণ না পাওয়া ব্যক্তিরা প্রতিবাদ জানিয়ে বাড়ি চলে আসেন। এর জেরে শনিবার সকালে ২৫/৩০ জনের একদল সশস্ত্র যুবক আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে দুজনকে রক্তাক্ত জখম করে। পরে তারা অন্তত ১৩টি বাসতবাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট করে।

“আমরা হামলায় জড়িতদের বিচার চাইতে থানায় যাই। পুলিশ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।”

বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মাহাতাব উদ্দীন বলেন, হামলা ভাংচুরের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলায় নারীসহ দুজন আহত হয়েছেন।

হামলার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; অন্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলে তিনি জানান।

ওসি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নারী সদস্যরা থানায় এসেছিলেন। তদন্ত করে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।